সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
รีวิวประสบการณ์การเล่นที่ LotaWild কাজিপুরে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধন হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রামীণ জনপদের বাঁশ বেত দিয়ে তৈরী করা নানা উপকরণ আধুনিকতার চাপে হারিয়ে যাচ্ছে রান্ধুনীবাড়ির মৃৎশিল্প রমজানকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের বাজারে বেড়েছে খেজুরের সরবরাহ উল্লাপাড়ায় সরিষা চাষে সাফল্য, বাড়ছে কৃষকের আয় উল্লাপাড়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের হাতে বিনামূল্যে বোরো ধানের বীজ তুলে দিলেন জেলা প্রশাসক বাজারে আস্থা ফেরাতে সিরাজগঞ্জে নিয়মিত ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান বেলকুচিতে দুইদিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বগুড়ার শেরপুরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পরিবারের মাঝে ছাগল ও উপকরণ বিতরণ

পেঁপে আবাদ করে পেয়েছেন সাফল্যে শিয়ালকোলের সফল কৃষি উদ্যোক্তা রাসেল

প্রতিনিধির নাম / ৬১৩ বার
আপডেট : শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

সিরাজগঞ্জের শিয়ালকোল ইউনিয়নের রঘুনাথপুর গ্রামের রাসেল আহমেদ এখন সফল উদ্যোক্তা। পেঁপে আবাদ করে সফলতা পেয়েছেন। স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে প্রায় তিন বিঘা জমিতে পেঁপের বাগান করেছেন। আবহাওয়া অনুকূল ও ভাইরাস প্রতিরোধী জাত ব্যবহারের ফলে তার বাগানে ভাল ফলন হয়েছে। রাসেলের সফলতা দেখে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যেও পেঁপে আবাদে আগ্রহ দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৮আগস্ট) সরেজমিনে দেখা যায়, রাসেল আহমেদের বাগানে সারি সারি গাছে ঝুলছে দেশি শাহী জাতের পেঁপে। রাসেল জানান প্রতিদিন বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা এসে সরাসরি জমি থেকে পেঁপে কিনে নিচ্ছেন। বর্তমানে কাঁচা পেঁপে প্রতি মণ ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা এবং পাকা পেঁপে কেজি প্রতি ৬০ টাকায় বিক্রি করছেন। খরচ বাদ দিয়ে প্রতি বিঘায় প্রায় দেড় লাখ টাকা পর্যন্ত লাভ থাকছে বলে জানান তিনি।

রাসেল আহমেদ বলেন, আমার বাগানে প্রায় ৮’শ দেশীয় শাহী জাতের পেঁপে গাছ রয়েছে। প্রতিটি গাছ থেকে গড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা আয় করা সম্ভব। সব মিলিয়ে প্রায় কয়েক লাখ টাকার পেঁপে বিক্রি হবে।

তার সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে আশপাশের অনেক কৃষকও এখন পেঁপে আবাদে ঝুঁকছেন। খোর্দ্দ শিয়ালকোল গ্রামের কৃষি উদ্যোক্তা সায়েম জানান, “প্রতিবেশী রাসেলের সাফল্য দেখে আমিও এক বিঘা জমিতে পেঁপে আবাদ শুরু করেছি।

এ বিষয়ে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এস. এম. নাসিম হোসেন বলেন, দেশীয় শাহী জাতের পেঁপে চাষে রাসেল আহমেদ সত্যিই সাফল্যের নজির তৈরি করেছেন। তার মতো অন্য কৃষকরাও পরিকল্পিতভাবে এগিয়ে এলে আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে ফলের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। এই এলাকার জন্য শাহী জাতের পেঁপে চাষ উপযুক্ত। আমরা কৃষি বিভাগ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। পাশাপাশি এই চাষে নতুন নতুন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরীতে নিয়মিত কাজ করছি।


এ জাতীয় আরো সংবাদ
কারিগরি সহযোগিতায়: সিরাজগঞ্জ ইনফো