রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন

বগুড়ার যমুনার চরের ঘাস বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে অনেক পরিবার

ফরহাদুজ্জামান শাহী, বগুড়া / ৫৫১ বার
আপডেট : শনিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৫

বগুড়ার যমুনার চরের ঘাস বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে অনেক পরিবার।
ধুনট উপজেলায় যমুনা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধে আশ্রিত শহিদুল ইসলাম নদী থেকে মাছ ধরে বিক্রি করেন। তবে বছরের বেশির ভাগ সময় তিনি যমুনার চরে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো ঘাস কেটে বিক্রি করে সংসার চালান। শহিদুল একা নয়, তার মতো বাস্তুহারা শতাধিক পরিবারের সংসার চলে এখন ঘাস সংগ্রহ ও বিক্রি করে।
যমুনার চর থেকে সংগৃহিত ঘাস হাট-বাজারে বিক্রির টাকায় ওদের সংসার চলে।

প্রতিদিন ভোরে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় করে চর থেকে সবুজ ঘাস নিয়ে শহড়াবাড়ি বাঁধে ঘাসের হাটে আসেন ঘাস বিক্রেতারা। সেই ঘাস কিনে নেন কৃষক, গৃহস্থ, গরুর খামারিসহ বিভিন্ন শ্রেণির লোকজন। প্রতিদিন দুপুর পর্যন্ত  ঘাস সংগ্রহ করে হাটে বিক্রি করে সংসারের বাজার নিয়ে নিয়ে তারা বাড়ি ফেরেন।

শহড়াবাড়ি বাঁধে ঘাসের হাট বসে প্রতিদিন দুপুরে। ঘাস বেচাকেনা চলে সন্ধ্যা পর্যন্ত। ওই এলাকার ছোট খামারি আব্দুর রহিম বলেন, গরুকে কুঁড়া ভূষির সঙ্গে কিছু তাজা ঘাস খাওয়াতে হয়। তাই প্রতিদিন সকালেই এই হাট থেকে ঘাস কিনতে আসেন। এখানে চরে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো কাঁচা ঘাস পাওয়া য়ায়।

এক সময়ের প্রতাপশালী গৃহস্থ শহড়াবাড়ি গ্রামের নাদু মিয়া জানায়, এক বছরে তার সব জমি যমুনার পেটে যায়। লেখাপড়া করেনি বলে নতুন কর্মসংস্থান করতে পারেনি। নিজে এখন শ্রম বিক্রি ও ঘাসুড়ে হয়ে পরিবারের ভরণ-পোষণ জোগাচ্ছেন। ক্ষেত-খামারে তেমন কাজ না থাকায় যমুনার চর থেকে ঘাস কেটে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। ঘাসের একেকটি আটির দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা। পুঁজি ছাড়াই তিনি প্রতিদিন ঘাস বেঁচে আয় করেন ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা।


এ জাতীয় আরো সংবাদ
কারিগরি সহযোগিতায়: সিরাজগঞ্জ ইনফো