পূর্ব দিকে যমুনা নদী আর পশ্চিম পাশে বিশাল এলাকা জুড়ে ফুটেছে সাদা কাশফুল। এ যেন নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা। আর প্রতিদিন এই কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ভিড় করছেন বিভিন্ন বয়সের নারী পুরুষ। আর মানুষের সমাগম ঘিরে বাঁধের উপরে গড়ে উঠেছে অনেক ভ্রাম্যমাণ বিভিন্ন খাবারের দোকান। যেখানে বেচা কেনাও ভাল হয় বলে জানান, বিক্রেতারা। প্রতি বছর শরৎকাল এলেই সিরাজগঞ্জ শহরের চর-মালশাপাড়া ক্রসবার-৩ এলাকায় কাশফুল ফোটে।আর এই ফুলের সৌন্দর্যের টানে আসা প্রকৃতিপ্রেমীদের ভিড় জমে। দুই থেকে তিন মাসব্যাপী কাশফুলের সাদা-ধূসর সাম্রাজ্য সবাইকে মুগ্ধ করে। প্রায় এক কিলোমিটার জুড়ে চিরল সবুজ পাতার বুক থেকে বেরিয়ে আসা সাদা কাশফুল থোকা থোকা গুচ্ছ। জেলার বাহিরে থেকে আসা ভ্রমণপিয়াসুদের এ কাশফুলের ছোয়া নিতে আসতে দেখা যায়। আশপাশের বিভিন্ন বয়সের মানুষ এই কাশবনে বেড়াতে এসেছেন। কেউ মুঠোফোনে ছবি তুলছেন। কেউ আবার কাশফুল ছিঁড়ে তোড়ার মতো তৈরি করছেন। আশপাশের শিশুরা কাশবনে খেলায় মেতে উঠেছে। নদীর বুক ছুঁয়ে শীতল হাওয়া ভেসে আসছে কাশফুলের বনে। হাওয়ায় দুলছে, নেচে উঠছে কাশফুল। স্থানীয়রা জানান, ভাদ্র মাসের শেষ দিকে কাশফুল ফুটতে শুরু করে। এ সময় পুরো এলাকা সাদা হয়ে যায়। কার্তিক মাস পর্যন্ত কাশফুল থাকে। বাদাম বিক্রেতা আব্দুর করিম বলেন, যমুনা নদীর চরেই খেলাধুলা করে তার বেড়ে ওঠা। কয়েক বছর ধরে এখানে ফুল ফুটছে। বিকেল হলেই প্রচুর মানুষ ঘুরতে আসে। ছবি তোলে, ভিডিও করে। তাই বেচা বিক্রিও ভাল হয়। এ মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে করতে সন্ধ্যা গড়িয়ে যায়। তখন দূর আকাশে চাঁদের আভা ফুটে উঠে। কখনো মেঘের আড়ালে সেই চাঁদ আটকা পড়ছে।