রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রামীণ জনপদের বাঁশ বেত দিয়ে তৈরী করা নানা উপকরণ আধুনিকতার চাপে হারিয়ে যাচ্ছে রান্ধুনীবাড়ির মৃৎশিল্প রমজানকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের বাজারে বেড়েছে খেজুরের সরবরাহ উল্লাপাড়ায় সরিষা চাষে সাফল্য, বাড়ছে কৃষকের আয় উল্লাপাড়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের হাতে বিনামূল্যে বোরো ধানের বীজ তুলে দিলেন জেলা প্রশাসক বাজারে আস্থা ফেরাতে সিরাজগঞ্জে নিয়মিত ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান বেলকুচিতে দুইদিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত বগুড়ার শেরপুরে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পরিবারের মাঝে ছাগল ও উপকরণ বিতরণ বগুড়ার ধুনটে কৃতি শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ বিতরণ সিরাজগঞ্জে শার্পের আয়োজনে উপজেলা অগ্রগতি শেয়ারিং সভা অনুষ্ঠিত

তাড়াশে দেশীয় পদ্ধতিতে হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী শাহাদাত হোসেন

মোঃ সোহাগ হোসেন / ৪৪৬ বার
আপডেট : বুধবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৫

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলারদেশী গ্রাম ইউনিয়নের শাকমাল গ্রামের যুবক মোঃ শাহাদাত হোসেন। দেশীয় পদ্ধতিতে হাঁস পালনের মাধ্যমে বর্তমানে সফল তিনি। প্রতি মাসে এখন তার আয় ৫০ হাজার টাকা। শাহাদাতের সাফল্য দেখে এলাকার অনেক বেকার যুবক হাঁস পালনে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।
খামারি শাহাদাত হোসেন জানান, প্রায় ২ বছর আগে উপজেলার সাইডখাল এলাকায় একটি বড় হাঁসের খামার দেখে হাঁস পালনে অনুপ্রেরণা জাগে। পরে বাবার কাছ থেকে টাকা নিয়ে ১০০ টি হাঁসের বাচ্চা কিনে শুরু করেন খামারি জীবন। ৬ মাস পর হাঁসগুলো ডিম দিতে শুরু করলে ডিম বিক্রি থেকে দ্বিগুণেরও বেশি লাভ হয়। এরপর প্রতিবার ডিম পাড়া শেষে হাঁস বিক্রি করে আরও মুনাফা পান। এতে তার উৎসাহ বেড়ে যায় এবং প্রতিবছর হাঁসের সংখ্যা বাড়তে থাকে।
সম্প্রতি তিনি সিলেট থেকে ৪৫০ টি খাকি ক্যাম্পবেল প্রজাতির হাঁসের বাচ্চা আনেন। প্রায় ৮০ হাজার টাকা খরচে গড়ে তোলা খামারে বর্তমানে ৪৫০ টি হাঁস রয়েছে। এর মধ্যে গত ১০ দিন ধরে প্রতিদিন প্রায় ১৫০টি হাঁস ডিম দিচ্ছে। শাহাদাতের আশা আগামী মাস থেকে ২৫০–৩০০ হাঁস ডিম দিবে। স্থানীয় বাজারে ডিম বিক্রি করছেন। তিনি জানান, প্রতিটি হাঁস ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা দামে বিক্রি করা যাবে। খরচ বাদ দিয়ে খামার থেকে মাসে গড়ে প্রায় ৫০ হাজার টাকা আয় হচ্ছে।

শাহাদত হোসেন বলেন, পানির সময় হাঁস বিল-জলাশয়ে থাকে, আর পানি শুকালে অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়। দিনে শামুক, ঝিনুক, ধান ইত্যাদি খেয়ে সন্ধ্যায় হাঁসগুলো আশ্রয়ে ফিরে আসে। এতে খাবারের খরচও কমে যায়। শুরুতে দৈনিক ১ হাজার টাকা খরচ হলেও বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৫০০–৬০০ টাকার খাবার দিতে হয়।
তার এই সাফল্যে খুশি এলাকার মানুষ। সে এলাকার যুবকদের কাছে এখন দৃষ্টান্ত।

তাড়াশ উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. আমিনুল ইসলাম বলেন, হাঁস পালন একটি লাভজনক ব্যবসা। উপজেলার অনেকেই এভাবে হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন।


এ জাতীয় আরো সংবাদ
কারিগরি সহযোগিতায়: সিরাজগঞ্জ ইনফো