বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন

শহরের মোড়ে মোড়ে শুরু হয়েছে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম

জিৎ পাল / ১১৬ বার
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫

শীতের শুরুতেই শহরজুড়ে শুরু হয়েছে পিঠা বিক্রি। দুপুরের পর থেকে শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে পিঠা তৈরীর পসরা নিয়ে বসে বিক্রেতারা। ধোঁয়া ওঠা গরম গরম গরম পিঠা খেতে ভিড় করে নানা বয়সের ক্রেতারা। ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা সহ নানা ধরনের পিঠা পাওয়া যায় এ সব দোকানে। প্রতি বছর শীত আসলেই শুরু হয় এই পিঠা বিক্রি। এখন আর আগের মতো বাসা বাড়িতে তৈরি হয় না পিঠা। তাই এসব দোকান থেকেই অনেক বাসায় নিয়ে যায় পিঠা। কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী মেরাজুল ইসলাম মেরাজ বলেন, আমরা প্রতিদিন বন্ধুদের সাথে নিয়ে আসি পিঠা খেতে, শীতকালীন এই সময়ে গরম গরম পিঠার মজাই আলাদা। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, শীত এলেই চাহিদা বেড়ে যায়। একজন বিক্রেতা বলেন,শীতের শুরু হতেই পিঠার দোকান দেই। বিকালল ৫টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত পিঠা বিক্রি করি। এখন প্রতিদিন গড়ে ২০ কেজি চাউলের গুঁড়ার পিঠা বিক্রি হয়। এতে দিনে চার থেকে পাঁশত টাকা আয় হয়। পিঠা কিনতে আসা একজন ক্রেতা হাফিজ তালুকদার জিসান বলেন, শীত কালীন পিঠা গুলো আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির এক অপরিহার্য অংশ। কালের বিবর্তনে হয়তো নতুন ধান ঘরে তুলে পিটা তৈরীর সে ধুম কিছুটা ভাটা পরেছে। তবে রাস্তার ধারে তৈরি এইসব হরেক রকমের পিঠা আজো হারিয়ে যাওয়া সেই অতীতকে মনে করিয়ে দেয়। শহরের পিঠা বিক্রেতারা আরও জানান, স্থানীয়ভাবে তৈরি চালের গুঁড়া সহ পিঠা তৈরির সকল উপকরণ সরবরাহ ভালো থাকায় এখন পিঠা বানানো সহজ হয়েছে। ফলে দামও তুলনামূলকভাবে হাতের নাগালেই। প্রতিটি চিতই ও ভাপা পিঠা বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা এবং ডিম দিয়ে চিতই পিঠা বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। পিঠার সাথে দেওয়া হয় বিট লবণ, মসলা সহ বিভিন্ন ধরনের ভর্তা যেগুলো পিঠার স্বাদ কে বাড়িয়ে দেয়।


এ জাতীয় আরো সংবাদ
কারিগরি সহযোগিতায়: সিরাজগঞ্জ ইনফো