সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্পপার্কে প্লট বরাদ্দ পেয়েও প্রয়োজনীয় মাটি ভরাট না থাকার কারনে শিল্পপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছে পাড়ছে না বিনিয়োগকারীরা। এতে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে শিল্পোদ্যোক্তাদের মাঝে।
দ্রুত বিসিক শিল্প পার্কটির অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করে শিল্প প্রতিষ্ঠানের স্থাপনের উপযোগী পরিবেশ গড়ে তোলার দাবী ব্যবসায়ী নেতাদের। আর বিসিক কর্তৃপক্ষ বলছে মাটির সমস্যা সমাধান শেষ মাটি ফেলা হচ্ছে উদ্যোক্তারা তাদের কারখানা স্থাপন করতে পারবে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর তীরে গড়ে উঠেছে বিসিক শিল্পপার্ক। ইতোমধ্যে পার্কটিতে শিল্পোদ্যোক্তাদের মাঝে প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে প্লট বরাদ্দ পাওয়ার পরেও শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করতে পারছে না উদ্যোক্তারা। অনেক প্লটেই পরিপূর্ণ মাটি ভরাটসহ রয়েছে নানা সংকট। যে কারণে তাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে অসন্তোষ। অনেকে প্লট প্রস্তুত করতে নিজ খরচে অসম্পূর্ণ অংশে মাটি ফেলে ভরাট করছে। সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্পপার্কে ৮শ ২৯ প্লটে গড়ে উঠবে প্রায় ৫শ ৭০টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান। এসব প্লটের মধ্যে ৫শ ৫০টি প্লট বরাদ্দ পেয়েছে বিদেশী বিনিয়োগকারি প্রতিষ্ঠান। আর দেশের শিল্পোদ্যোক্তারা পেয়েছে ২শ ৭৯টি প্লট। উদ্যোক্তারা বলছেন মাটি ভরাট অসমাপ্ত রেখেই হস্তান্তর করা হয়েছে প্লটগুলো। এই সমস্যার করণে প্লট বরাদ্দ পেলেও কাজ শুরু করতে পারছেন না শিল্প মালিকেরা। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপনে অনিশ্চয়তা দিখা দিয়েছে। তাই দ্রুক মাটি করে প্রতিষ্ঠান স্থাপনের উপযোগী করে দেওয়ার দাবী উদ্যোক্তাদের। ব্যবসায়িদের স্বার্থে দ্রুত বিসিক শিল্প পার্কটির মাটি ভরাট করে সমাধানের জন্য কর্তপক্ষের কাছে দাবি জানালেন সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি প্রেসিডেন্ট সাইদুর রহমান বাচ্চু। মাটির কিছু সমস্যা থাকলেও বর্তমানে সেটির সমাধান হয়েছে। যে সব স্থানে নিচু ছিল সেই জায়গায় মাটি ফেলা শুরু হয়েছে। তাই উদ্যোক্তারা তাদের কারখানা স্থাপন করতে পারবেন বলে জানান, বিসিক শিল্পপার্ক প্রধান হিরন্ময় বর্দ্ধন সিরাজগঞ্জ বিসিক শিল্পপার্কটি নিমার্ণে ব্যায় হয়েছে প্রায় ৭শ ১৯ কোটি টাকা। ২০১০ সালে জুন মাসে প্রকল্প শুরু হয়ে শেষ হয় ২০২৪ সালের জুন মাসে। পার্কটি পুরোদমে চালু হলে কর্মসংস্থান হবে প্রায় এক লাখ মানুষের।